আহ্লাদে আটখানা
সাতে পাঁচে নেই
মাঝখানে যেইজন
পথ পাবে সেই...
কেন জানি না বহুদিন আগে 'পাতাল ঘর' ছবিতে শোনা লাইনগুলো মনে পড়ছে। তারওপর সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠেই দেখি এক বান্দা খবর পড়ে যাচ্ছে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু। আমিও পুরো আহ্লাদে আটখানা হয়ে গেছি! পুরো ঝিঙ্কু কেস। আমার চিরকালের শ্রেষ্ঠ বীর তাও বাঙালি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী! অনেকে ফেসবুকে হোয়াটস অ্যাপে খুশির বার্তা পাঠাচ্ছেন, ছড়াচ্ছেন। বাহ্ মোদি জী বাহ্! আমার গলা দিয়েও বেরিয়ে এলো -- মিঁত্রো! তারপর নিজের গলা নিজেই টিপে ধরে বললাম চুপ শালা! ভালো কাজেও সমালোচনা! আবার আগ বাড়িয়ে এসে দু'একজন জিগ্যেস করছে: বল সমর্থন করিস না? সত্যি তো সমর্থন না করে উপায় আছে!
-- হে ভারত শ্রেষ্ঠ বীর আপনাকে আমার কিছু কথা বলার আছে। আপনি বেঁচে আছেন নাকি মরে গেছেন আমি জানি না। কিন্তু আপনার মৃত্যু হয়েছে আমি তা বিশ্বাস করি না। আপনি আমাদের ভারতবাসীর হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন, থাকবেন। কে আপনাকে প্রধানমন্ত্রী করল না-কি রাষ্ট্রপতি বানিয়ে দিল তাতে কিছু যায় আসে না। আপনার স্থান সবার ওপরে। আপনাকে নিয়েও নোংরা সেন্টিমেন্টের রাজনীতি খেলা শুরু হয়েছে। ক্ষমতা-প্রতাপের রাজনীতি আপানার মতো ব্যক্তিত্বকেও হাতিয়ার করে চলেছে। ইতিহাস বাদলাতে চাইছে তাদের উত্তরসূরীরা। হাজার হাজার বাঙালি নিধন যজ্ঞে মেতেছে যারা, তারা আবার আপনার মতো শ্রেষ্ঠ বাঙালি বীরকে এই শিরোপা দেয়। এ আরও এক নতুন খেলা। বাঙালি সেন্টিমেন্টের খেলা। ভোট ব্যাঙ্কের খেলা!
No comments:
Post a Comment